Posts

RSC Escalation Protocol

Image
  RSC Escalation Protocol অনুযায়ী নিচের যেকোনো কারণে RSC Escalation দিতে পারে: 🔶RSC ইঞ্জিনিয়ারকে কারখানায় প্রবেশ করতে না দেওয়া। 🔶Inspection-এ Immediate Risk পাওয়ার পরও তাৎক্ষণিক সমাধান না করা। 🔶CAP (Corrective Action Plan)-এর কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না করা। 🔶Electrical CAP-এ দীর্ঘদিন কোনো অগ্রগতি না হওয়া। 🔶DEA, EA, FADS, SUPS ইত্যাদি প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সময়মতো জমা না দেওয়া। 🔶Safety Committee Training-এ অংশগ্রহণ না করা। 🔶OSH Complaint তদন্তে সহযোগিতা না করা। 🔶Pre-T&C বা T&C-এর জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট বারবার অসম্পূর্ণ জমা দেওয়া। Stage 1 (প্রথম সতর্কতা) যদি কারখানা RSC-এর নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ না করে: 🔶RSC একটি Escalation Letter (EL) পাঠায়। 🔶৫ দিনের মধ্যে কারখানাকে RSC-কে জানাতে হয় তারা কীভাবে সমস্যার সমাধান করবে। 🔶প্রতিটি Non-Compliance (NC)-এর জন্য নির্দিষ্ট সময় দেওয়া হয়। 🔶সময়মতো সমাধান না করলে Stage 2-এ চলে যায়। 👇 Stage 2 (গুরুতর সতর্কতা) এই পর্যায়ে: 🔶RSC, Factory, Brand, BGMEA/BKMEA ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নিয়ে বাধ্যতামূলক মিটিং হয়...

RSC Electrical Audit এ যে সকল বিষয় গুলো দেখা হয়।

Image
  প্রথমে জেনে নিই RSC কি? RMG (Readymade Garments) Sustainability Council কে সংক্ষেপে RSC বলা হয়। এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত বাংলাদেশের গার্মেন্টস কারখানার নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে কাজ করে। তৈরি পোশাক কারখানায় নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কারখানার Electrical, Fire safety, Structural এবং Boiler Safety এর অডিট করে কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে থাকে এবং সেগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে কিনা তা ফলোয়াপ করে। সর্বশেষ কারখানায় যদি কোন নিরাপত্তা ইস্যু না থাকে তাহলে নিরাপদ কারখানা হিসেবে সার্টিফিকেট প্রদান করে থাকে। RSC Electrical Audit এ সাধারণ যে সকল বিষয় গুলো দেখা হয়। ১. Electrical Single Line Diagram (SLD) Main incoming থেকে একদম Final Load পর্যন্ত সঠিক SLD আছে‌ কি না।‌ বাস্তব ইন্সটলেশনের সাথে SLD মিল আছে কিনা এবং ‌SLD হালনাগাদ করা আছে কিনা এগুলো একদম প্রথমেই চেক করা হয়। ২. Load Calculation লোড অনুযায়ী ট্রান্সফরমার এবং জেনারেটর এর ক্যাপাসিটি সঠিক আছে কিনা, সার্কিট ব্রেকার,‌ বাসবার এবং ক্যাবলের সাইজ লোড অনুযায়ী যথেষ্ট কিনা সেটা দেখা হয়। ৩. Cable Safety ক্যাবলের ইন...

হঠাৎ আগুন লাগলে কি করবেন?

Image
হঠাৎ যদি কোথায় দেখেন অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে তাহলে আপনি কি করবেন? এই সময়ে আমরা অধিকাংশ মানুষ ঘাবড়ে যাই, এবং কি করব ভেবে পাই না। ফলে ছোট্ট একটি অগ্নিকাণ্ড থেকে বড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে এবং সব কিছু পুরে ছারখার হয়ে যায়।  কোথাও কোন অগ্নিকাণ্ড ঘটলে আমাদের কিছু করণীয় আছে। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেগুলো 1। অগ্নিকাণ্ড বড় হোক বা ছোট, প্রথমেই ফায়ার সার্ভিসে কল করে অগ্নিকাণ্ডের কথা বলতে হবে। যেকোন জায়গা থেকে ফায়ার সার্ভিসে 16163 অথবা 02223355555 নাম্বারে কল করে জানাতে হবে।  ফায়ার সার্ভিস কল করে অবহিত করার সময় খুব ঠান্ডা মাথায় নিচের তথ্য গুলো জানাতে হবে। - আপনার নাম -আপনার মোবাইল নাম্বার (যে নাম্বার থেকে কল করেছেন) -দুর্ঘটনাস্থলের ঠিকানা। - সেখানে যাওয়ার সবচেয়ে ভালো এবং সংক্ষিপ্ত রাস্তা( যদি আপনার জানা থাকে)  -সেখানে পুকুর নদী বা কোন জলাশয় থেকে পর্যাপ্ত পানি নেওয়ার ব্যবস্থা আছে কি না। -যেখানে আগুন লেগেছে সেখানে কোন তেল বা গ্যাস আছে কি না। এই তথ্য গুলো যত সুন্দর করে বলবেন, ফায়ার সার্ভিস তত দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারবে।  আর যদি ফোন করে বলেন, আগুন আগুন আগুন লাগছে। আপনারা ত...

বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন এবং উহার প্রকারভেদ

Image
ছবি: বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন  ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সাব-স্টেশন একটি গুরুতর সেক্টর। সাব-স্টেশন বা ইলেকট্রিক্যাল সাব-স্টেশন কে বাংলায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বলা হয়। এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় না বরং বিদ্যুতের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন ভোল্টেজ পরিবর্তন, ফ্রিকুয়েন্সি পরিবর্তন, পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন, এসি টু ডিসি কনভার্ট প্রভৃতি পরিবর্তন করা হয়।  বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গুলো সাধারণত গ্রাহকদের থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হয়ে থাকে। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎকে ট্রান্সমিশন করার জন্য উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় । ভোল্টেজ পরিবর্তন এর কাজ যেই সকল সরঞ্জামাদি দিয়ে করা হয় তাদের একত্রে সাব-স্টেশন বলে। আবার গ্রাহকদের কাছাকাছি এসেও উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুত কে নিম্ন ভোল্টেজে পরিবর্তন করতে হয়। এই কাজের জন্যও সাব-স্টেশন প্রয়োজন। মোটকথা, ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সাব-স্টেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাব-স্টেশন এর দক্ষতার উপর পুরো সিস্টেমের দক্ষতা নির্ভরশীল।  সাব-স্টেশন এর প্রকারভেদ:  ইলেকট্রিক্যাল সাব-স্টেশনকে প্রধানত দুইটি বিষয়ের উপর বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।  1। ...

সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম অব পাওয়ার সিস্টেম

Image
  ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার সিস্টেমের সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পুরো ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার সিস্টেম তথা জেনারেশন থেকে বিতরণ পর্যন্ত একটি সিঙ্গেল লাইনের মাধ্যমে অতি সহজ ভাবে তুলে ধরা যায় এই সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রামের মাধ্যমে। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র এবং কর্মীদের কাছে এই সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আবার এই সেক্টরে চাকুরি প্রত্যাশীদের জন্যও একটি সমান গুরুত্ব।  কারণ ইলেকট্রিক্যাল সেক্টরের বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে। Single line diagram আজকে আমি এই সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রামটি আপনাদের সামনে ব্যাখ্যা করব। পুরো ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম প্রধান তিনটি ধাপে সম্পূর্ণ হয়। আর প্রথম ধাপে হল, জেনারেশন। প্রথমে ইলেকট্রিসিটি বা ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার জেনারেশন করা হয়। এখানে বলে রাখা ভালো যে, ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার আসলে তৈরি করা হয় না বরং মেকানিক্যাল বা থারমাল পাওয়ার থেকে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ারে কনভার্ট বা রূপান্তর করা হয়। কারণ আমরা জানি শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যাবে না। শুধুমাত্র শক্তিকে এক ফর্ম থেকে অন্য ফর্মে রূপান্তর করা যায়। ...

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সেক্টর

Image
ছবি: আশুগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট বাংলাদেশে বর্তমানে মোট 146 টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা 25235 মেগাওয়াট (installed capacity) যেখানে এই পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড  গড়েছে 27 এপ্রিল 2021, 13792 মেগাওয়াট। বাংলাদেশের সবগুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত।  সুতরাং সব গুলো কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ একটি নেটওয়ার্কে মিলিত হবার পর আবার বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে আমাদের কাছে অর্থাত কনজিউমারের নিকট পৌছে।  বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন এর কাজ করে থাকে 'পাওয়ার গ্রিড অব কোম্পানি বাংলাদেশ, (পিজিসিবি) এবং পিজিসিবি থেকে ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গুলো বিদ্যুৎ নিয়ে কনজিউমারদের কাছে বিতরণ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি এবং স্বায়ত্বশাষিত মোট ছয়টি কোম্পানি বিদ্যুত বিতরণ করে থাকে।  কোম্পানি গুলো হচ্ছে- 1। পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, পিডিবি।  2। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ডিপিডিসি।  3। ঢাকা ইলেক্ট্রনিক সাপ্লাই কোম্পানি, ডেসকো।  4। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি,  WZPDCL. 5। ...

গেরিলা মার্কেটিং কী?

Image
  গেরিলা মর্কেটিং বলতে এখানে  এডভার্টাইজিং এর কথা বলা হয়েছে। আপনারা অনেকেই হয়তো শুনেছেন গেরিলা যুদ্ধের কথা। যে কোন যুদ্ধে একটি গেরিলা বাহিনী থাকে যারা আচমকা শত্রু পক্ষের উপর হামলা করে। গেরিলা মানেই প্রচলিত নিয়ম এর বাইরে আচমকা কিছু করে একটা আলোরণ সৃষ্টি করা। মার্কেটিং এর গেরিলা পদ্ধতিও একই রকম। প্রচলিত মার্কেটিং এর বাইরে এমন কিছু করা যা মানুষ আগে কল্পনাও করে নি।  আজকাল দেখবেন যে কোন পণ্যের এড মানুষ খুব সচেতন ভাবেই এরিয়ে চলে। টিভি দেখার সময় এড শুরু হলেই আমরা চ্যানেল পালটিয়ে অন্য চ্যানেলে যাই। আবার সেখানেও এড শুরু হলে আরেক চ্যানেলে। এভাবে করতে করতে  অনেক সময় বিরক্ত হয়ে টিভিটাই বন্ধ করে দিই।  আবার কোন ওয়েব পেজে যখন কোন এড দেখি সেটাও আমরা সচেতন ভাবে স্কিপ করে যাই। এক কথায় মানুষ এখন এসব  এড এর প্রতি খুতই ত্যক্ত, বিরক্ত। এই জন্য অনেক মার্কেটার এখন এই গেরিলা মার্কেটিং এর আশ্রয় নিচ্ছে। গেরিলা মার্কেটিং এর মূল ফোকাস থাকে শুধু পণ্য বা ব্রান্ড এর পরিচিত করানো। এখানে পণ্য ক্রয়ের জন্য আহবান করা হয় না।  এর মূল টার্গেট হচ্ছে এওয়ারনেস বৃদ্ধি করা।  জে কনরাড লেভিন্স...