Posts

Showing posts from September, 2021

বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন এবং উহার প্রকারভেদ

Image
ছবি: বৈদ্যুতিক সাব-স্টেশন  ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সাব-স্টেশন একটি গুরুতর সেক্টর। সাব-স্টেশন বা ইলেকট্রিক্যাল সাব-স্টেশন কে বাংলায় বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বলা হয়। এখানে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয় না বরং বিদ্যুতের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যেমন ভোল্টেজ পরিবর্তন, ফ্রিকুয়েন্সি পরিবর্তন, পাওয়ার ফ্যাক্টর কারেকশন, এসি টু ডিসি কনভার্ট প্রভৃতি পরিবর্তন করা হয়।  বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র গুলো সাধারণত গ্রাহকদের থেকে অনেক দূরে অবস্থিত হয়ে থাকে। তাই বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎকে ট্রান্সমিশন করার জন্য উচ্চ ভোল্টেজে রূপান্তর করা হয় । ভোল্টেজ পরিবর্তন এর কাজ যেই সকল সরঞ্জামাদি দিয়ে করা হয় তাদের একত্রে সাব-স্টেশন বলে। আবার গ্রাহকদের কাছাকাছি এসেও উচ্চ ভোল্টেজের বিদ্যুত কে নিম্ন ভোল্টেজে পরিবর্তন করতে হয়। এই কাজের জন্যও সাব-স্টেশন প্রয়োজন। মোটকথা, ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমে সাব-স্টেশন খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সাব-স্টেশন এর দক্ষতার উপর পুরো সিস্টেমের দক্ষতা নির্ভরশীল।  সাব-স্টেশন এর প্রকারভেদ:  ইলেকট্রিক্যাল সাব-স্টেশনকে প্রধানত দুইটি বিষয়ের উপর বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা যায়।  1। ...

সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম অব পাওয়ার সিস্টেম

Image
  ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার সিস্টেমের সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। পুরো ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার সিস্টেম তথা জেনারেশন থেকে বিতরণ পর্যন্ত একটি সিঙ্গেল লাইনের মাধ্যমে অতি সহজ ভাবে তুলে ধরা যায় এই সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রামের মাধ্যমে। ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্র এবং কর্মীদের কাছে এই সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রাম অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আবার এই সেক্টরে চাকুরি প্রত্যাশীদের জন্যও একটি সমান গুরুত্ব।  কারণ ইলেকট্রিক্যাল সেক্টরের বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায় এটি প্রায়ই আসে। Single line diagram আজকে আমি এই সিঙ্গেল লাইন ডায়াগ্রামটি আপনাদের সামনে ব্যাখ্যা করব। পুরো ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেম প্রধান তিনটি ধাপে সম্পূর্ণ হয়। আর প্রথম ধাপে হল, জেনারেশন। প্রথমে ইলেকট্রিসিটি বা ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার জেনারেশন করা হয়। এখানে বলে রাখা ভালো যে, ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার আসলে তৈরি করা হয় না বরং মেকানিক্যাল বা থারমাল পাওয়ার থেকে ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ারে কনভার্ট বা রূপান্তর করা হয়। কারণ আমরা জানি শক্তি সৃষ্টি বা ধ্বংস করা যাবে না। শুধুমাত্র শক্তিকে এক ফর্ম থেকে অন্য ফর্মে রূপান্তর করা যায়। ...

বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সেক্টর

Image
ছবি: আশুগঞ্জ পাওয়ার প্লান্ট বাংলাদেশে বর্তমানে মোট 146 টি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা 25235 মেগাওয়াট (installed capacity) যেখানে এই পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদনের রেকর্ড  গড়েছে 27 এপ্রিল 2021, 13792 মেগাওয়াট। বাংলাদেশের সবগুলো বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক এর সাথে সংযুক্ত।  সুতরাং সব গুলো কেন্দ্রের উৎপাদিত বিদ্যুৎ একটি নেটওয়ার্কে মিলিত হবার পর আবার বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে আমাদের কাছে অর্থাত কনজিউমারের নিকট পৌছে।  বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ট্রান্সমিশন এর কাজ করে থাকে 'পাওয়ার গ্রিড অব কোম্পানি বাংলাদেশ, (পিজিসিবি) এবং পিজিসিবি থেকে ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি গুলো বিদ্যুৎ নিয়ে কনজিউমারদের কাছে বিতরণ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে সরকারি এবং স্বায়ত্বশাষিত মোট ছয়টি কোম্পানি বিদ্যুত বিতরণ করে থাকে।  কোম্পানি গুলো হচ্ছে- 1। পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড, পিডিবি।  2। ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি, ডিপিডিসি।  3। ঢাকা ইলেক্ট্রনিক সাপ্লাই কোম্পানি, ডেসকো।  4। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি,  WZPDCL. 5। ...